Card image cap
৪শ’ কোটি টাকার প্রকল্প এখন ৫ হাজার কোটি
Ashraful Haque - 13 Sep 2018

রাজউক ৪১৪ কোটা টাকার প্রজেক্ট এর বাজেটকে ৫ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করেছে।  গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের উন্নয়ন প্রকল্প যা যানজট নিরসনের প্রকল্প হিসাবে চিহ্নিত।

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্টাডি রিপোর্টের ভিত্তিতেএ আকার বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এখানে উম্মুক্ত প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়নি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এখানে কোনও দুর্ণীতির ঘটনা ঘটবে কিনা।

হাতিরঝিলের প্রকল্প ব্যায়ও পাঁচ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং এখনও কাজ শেষ হয়নি। ব্যায় বাড়ানো হয়েছে ৭৬৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। 

কুড়িল-পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়কসংলগ্ন দু’পাশের ১০০ ফুট খাল উন্নয়ন প্রকল্প কাজের ব্যায়ও বাড়ানো হয়েছে। শুরুতে যা ছিল তা বেড়েছে প্রায় তিনগুন। ৫ হাজার ৫৩০ কোটি থেকে তা হয়েছে ১৬ হাজার কোটি।  শুরুতেই প্রকল্প ব্যয় ৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৯৫ সালে।

১৯৯৫ সালে শুরু হলেও, ২ যুগ পরেও এখনও প্রকল্পের অর্ধেক কাজও শেষ হয়নি। শুরুতে এ প্রকল্পের ব্যয় ৩ হাজার ৩১১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা থাকলেও তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৭৮২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। রাজউকের অন্যান্য প্রকল্পগুলোরও একই চিত্র।

এ কারণে গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধিতে জনগণের উপকারের চেয়ে দুর্নীতিবাজদের পকেট ভারি হওয়ার আশঙ্কা অমূলক নয়। তারা এও মনে করেন, এখন প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার কথা বলা হলেও দেখা যাবে ধাপে ধাপে বেড়ে তা ২০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

এজন্য রাজউকের এ ঢাউশ প্রকল্পের সঙ্গে বিশ্লেষকদের অনেকে একমত পোষণ করেননি। যদিও পাল্টা যুক্তি আছে রাজউক ও বুয়েটের দায়িত্বশীল মহলের।


এ প্রসঙ্গে স্থপতি ও নগর বিশেষজ্ঞ ইকবাল হাবিব যুগান্তরকে বলেন, ‘গুলশান লেক উন্নয়নের প্রথম পর্যায়ের প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে আমি যুক্ত ছিলাম। পরে যখন দেখা গেল লেকের উন্নয়নে আরও কিছু সংস্কার করা দরকার। তখন প্রকল্প সংশোধনের চিন্তা করা হয়। এরপর রাজউক বুয়েটকে কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ করে। পরে এ সংক্রান্ত মূল স্টাডি বুয়েট করেছে।’

তিনি বলেন, ‘বুয়েট গুলশান-বনানী-বারিধারা লেককে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় অনওয়ে ট্রাফিক সিস্টেমের আওতায় আনতে পরামর্শ দিয়েছে। আর সে কারণে প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে ৪ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে এ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে। আমি মনে করি, গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকায় অনওয়ে ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট বাস্তবায়ন করা যৌক্তিক হবে না। কিন্তু বুয়েট ও রাজউক কেন জানি, প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে।’

এ প্রসঙ্গে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবু নাছের খান যুগান্তরকে বলেন, ‘গুলশান লেকের উন্নয়নের নামে প্রকল্প ব্যয় কয়েকগুণ বাড়ানো হচ্ছে বলে শুনেছি। এক্ষেত্রে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের স্টাডি রিপোর্টের ভিত্তিতে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। সেটা অনুমোদন পর্যায়ে চলে গেছে বলে শুনেছি। এক্ষেত্রে আমার অভিমত, যে প্রক্রিয়ায় গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে, সেটা সঠিক পদ্ধতি নয়। একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়েই এতবড় কাজ করানো কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না। রাজউকের উচিত ছিল, এ ব্যাপারে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। এর ফলে ভালো-মন্দ বিবেচনা করে গ্রহণযোগ্য পরামর্শের আলোকে প্রকল্প গ্রহণ করা সম্ভব হতো।’

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, এখন পর্যন্ত রাজউক ২৬০ কোটি টাকার লেক খনন ও উন্নয়ন কাজে খরচ করেছে। অথচ গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের কোনো উন্নয়নই দৃশ্যমান নয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়ক-ফুটপাত উন্নয়ন ও লেক খননের নামে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা যোগসাজশ করে সব নয়ছয় করছেন। খনন কাজ না করেও বিল উঠিয়ে নিচ্ছেন। এসব কাজের কোনো হিসাব রাখছে না সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক খনন, উন্নয়ন, সংস্কার, আধুনিকায়ন এবং অভিজাত এসব এলাকার যানজট নিরসনকল্পে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু করেছে রাজউক। আর এ প্রকল্পটি অভিজাত তিন এলাকার লেককে কেন্দ্র করে বাস্তবায়িত হবে।

২০১০ সালে গৃহীত ৪১৪ কোটি টাকার প্রকল্পে লেক খনন ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাবনায় এর সঙ্গে গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট যুক্ত করে যানজট নিরসনের প্রস্তাবনা রয়েছে।

এক্ষেত্রে লেকগুলো কার্যকর প্রবাহমান করতে ৮০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে গুলশান-বনানী ও বারিধারা লেকের ২২২ একর আয়তন বেড়ে দাঁড়াবে ৩০০ একর, যা হাতিরঝিল প্রকল্পের সমপরিমাণ হবে।

এ প্রকল্প প্রসঙ্গে রাজউক ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের দাবি, জাতীয় বৃহত্তর স্বার্থে সরকারকে এমন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। প্রথমে এটা নিয়ে নাগরিক সমাজের নানা রকম অভিমত থাকলেও বাস্তবায়ন পর্যায়ে সেটা থাকবে না। আর এখান থেকে দীর্ঘমেয়াদে জনগণ অনেক বেশি উপকৃত হবেন।

রাজউকের প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, বুয়েটের স্টাডি রিপোর্টে গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকার যানজট নিরসন করতে অনওয়ে ট্রাফিক সিস্টেম করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বনানী ১১ নম্বর সড়কে ছোট আকৃতির দুটি ফ্লাইওভার এবং শুটিং ক্লাব থেকে হাতিরঝিল-তেজগাঁও-নিকেতন তিন এলাকাকে সংযোগ করে আরও একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রস্তাবনা রয়েছে।

এ তিন ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য হবে ৫ দশমিক ৩৮ কিলোমিটার। গুলশান-১ নম্বরের ইন্টার চেঞ্জিং সরিয়ে নেয়া হবে বাড্ডা গুদারাঘাট এলাকায়। সেখানকার লেক সড়ক উঠিয়ে বড় আকৃতির ব্রিজ করা হবে। আর ব্রিজের উপরে দ্বিতল কাঠামো তৈরি করে সেখানে করা হবে ইন্টার চেঞ্জিং।

অন্যদিকে কুড়িল ব্র্যাক সেন্টারসংলগ্ন এলাকায় আরেকটি ইন্টার চেঞ্জিং করা হবে। আর প্রকল্প এলাকায় সাড়ে ১৫ কিলোমিটার নতুন সড়ক, ১৪ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে, ১৯ দশমিক ১৭ কিলোমিটার লেক পাড়, সাড়ে ১০ কিলোমিটার স্ট্রম ড্রেনেজ নির্মাণ এবং ৯টি ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।

আর এ প্রকল্প এলাকায় চারটি বোট (নৌ ঘাট) স্টেশন করা হবে। এফডিসিসহ হাতিরঝিলের বোর্ড স্টেশন থেকে ওয়াটার ট্যাক্সিতে এসব স্টেশনে যাতায়াত করা যাবে।

এ প্রসঙ্গে বুয়েটের অধ্যাপক ও লেকপ্রকল্পের কনসালট্যান্ট ড. মো. মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য একনেকে প্রেরণ করেছিল রাজউক। সেখান থেকে বুয়েটকে দিয়ে সার্ভে করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এরপর রাজউক বুয়েটের কাছে আসে। পরে আমরা পরিবহন, পরিবেশ, স্ট্রাকচারাল বিশেষজ্ঞরা মিলে গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক প্রকল্পের ওপর দীর্ঘ সময় নিয়ে কাজ করে এ সুপারিশ করেছি। একনেক থেকে হাতিরঝিলের আদলে ট্রাফিক সিস্টেমকে প্রাধান্য দিয়ে সুপারিশ করতে বলা হয়েছিল। আমরা ট্রাফিক সিস্টেমকে প্রাধান্য দিয়ে এ সার্ভে করেছি। পুরো গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকার ট্রাফিক সিস্টেমকে অনওয়ে করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এ সুপারিশের ভিত্তিতে প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে। এটা নিয়ে অনেকে সমালোচনা করছেন, সেটাও শুনছি। কিন্তু, আমরা যে কাজগুলো করে থাকি, জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে করি। আগে যে পরিকল্পনা নিয়ে লেকের উন্নয়ন করা হচ্ছিল, তাতে লেকের আধুনিকায়নের পাশাপাশি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হতো। আর এখন লেকের আধুনিকায়নের পাশাপাশি পুরো গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকার ট্রাফিক সমস্যার সমাধান হবে। এটা অনেক বড় উন্নয়ন হবে, যার সুবিধা পাবেন পুরো রাজধানীবাসী।

এ প্রসঙ্গে রাজউকের লেক উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী আমিনুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের টেকসই দখলমুক্ত করতে চায় রাজউক। সে কারণেই রাজউক বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের দিয়ে স্টাডি করে প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে একদিকে লেক বাঁচবে, অন্যদিকে গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকার যানজটও নিরসন হবে। যা ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে বড় ভূমিকা রাখবে। এক প্রশ্নের উত্তরে এ প্রকৌশলী বলেন, লেক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নিখুঁতভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের অর্থ লুটপাট হচ্ছে না। আর ঠিকাদারকে কাজ ফাঁকিতে সহযোগিতা করার তো কোনো প্রশ্নই আসে না।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের বর্তমান ২২২ একর জায়গা প্রায় এক যুগ ধরে দখলের অপচেষ্টা করেছে প্রভাবশালীরা। অনেকে লেক দখল করে বহুতল ভবনও নির্মাণ করেছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা রাজউক উচ্ছেদ করেছে, আবার দখল হয়েছে।

বলা চলে, দখল-উচ্ছেদ খেলা চলছে। তবুও প্রতিনিয়ত দখলের পরিমাণই বেড়েছে। শহরের মাঝখানের লেককে বাঁচাতে রাজউক নানামুখী পদক্ষেপ নিলেও লেক বাঁচাতে ব্যর্থ হয়েছে। ঢাকা ওয়াসাকে দিয়ে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে দূষণ বন্ধ করতে ড্রেনেজ সিস্টেম প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও সে উদ্যোগে তেমন কোনো সাফল্য পায়নি।

এখনও গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকার মানুষের পয়ঃবর্জ্য ড্রেনের মাধ্যেমে লেকের পানিতে পড়ছে। এতে করে দূষিত হচ্ছে গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক ও হাতিরঝিল।

গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের টেকসই দখলমুক্ত করতে ২০১০ সালের ৬ জুলাই একনেকে লেক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করে। শুরুতে প্রকল্পের মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয় ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১৩ সালের জুন পর্যন্ত।

পরে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে জুন ২০১৯ করা হয়েছে। চলমান প্রকল্পের আকার ৪১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩১৪ কোটি টাকা জমি অধিগ্রহণ ব্যয় রাখা হয়। দু’দফা প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও প্রকল্প ব্যয় বাড়েনি।

শুরুতে লেক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য ছিল লেক দখল ও দূষণ মুক্ত করা, লেকের পানির ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়নের মাধ্যমে নগরীর নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা, পরিবেশ উন্নয়ন ও চিত্ত বিনোদনের সুযোগ বৃদ্ধি করা।

নতুন প্রকল্পে এসব উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নতি বা অনওয়ে ট্রাফিক সিস্টেমের আওতায় এনে গুলশান-বনানী ও বারিধারার যানজট নিরসন করা।

প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্পে ৮০ একর জমি অধিগ্রহণ করতে চায় রাজউক। এসব জমির প্রতি শতাংশের অধিগ্রহণ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। ল্যান্ড একুইজিশন কেস (এলএ) ১৬/১০/১১ এবং ল্যান্ড একুইজিশন কেস (এলএ) ১/১৬/১৭ এর আওতায় এসব জমি অধিগ্রহণ করা হবে।

এ প্রকল্পের আওতায় জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ পাবেন দেড়গুণ। এ এলএ কেসের পরে অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ তিনগুণ করা হয়েছে। আর অধিগ্রহণকৃত জমির মধ্যে ৪৩ একর জমি বিটিসিএলের। আর ৩৭ একর জমি ব্যক্তি মালিকানাধীন। সরকারি জমি স্থানান্তরিত হবে। তবে ওই জমির কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না।

সংশোধিত প্রকল্পে প্রস্তাবিত সময়কাল প্রস্তাব করা হয়েছে ২০২২ সাল। প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা। অন্যান্য ব্যয় ২ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা। এর আগে গত বছরের মার্চে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার সংশোধিত লেক উন্নয়ন প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করে রাজউক।

সে সময় একনেক বুয়েটকে দিয়ে প্রকল্পটি ভালো করে যাচাই-বাছাই করতে নির্দেশনা দেয়। এরপর রাজউক লেক প্রকল্পের উন্নয়ন কাজের জন্য বুয়েটকে নিযুক্ত করে। বুয়েটের বিশেষজ্ঞরা এখানে ট্রাফিক সিস্টেমকে প্রাধান্য দিয়ে প্রকল্প তৈরি করেছে। বুয়েটের বিশেজ্ঞ দলে ১০ জন বিশেষজ্ঞ এ প্রকল্পের সুপারিশ প্রণয়নে স্টাডি করে।

সুত্র: যুগান্তর লিংক: https://goo.gl/nfHVBY

Card image cap
টেবিল ডিজাইন নির্দেশিকা
Ashraful Haque - 22 Aug 2018

টেবিল ডিজাইন নির্দেশিকা

১.  গোল টেবিল চারকোনা টেবিল থেকে সহজে অন্য যেকোনও ফার্নিচারের সাথে বসানো সহজ হয় এছাড়া গোল টেবিল এর আশেপাশে চলাচলও সুবিধা হয়

২. টেবিলের উচ্চতা সাধারনত ২৮ থেকে ৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয় চেয়ারের উচ্চতা টেবিল থেকে ১১ থেকে ১৩ ইঞ্চি নিচে হয় ফ্লোর থেকে টেবিলের মাঝে ২৪ ইঞ্চি পুরো ফাকা থাকা দরকার পা রাখার এলিভেশন এ একজনের জন্য কমপক্ষে ২৪ ইঞ্চি  চওড়া জায়গা প্রয়োজন

৩. বিছানার সাথের টেবিলের উচ্চতা বিছানা থেকে ৬ ইঞ্চির বেশি হওয়া উচিত নয়

৪. কফি বা  টি-টেবিল এর দৈর্ঘ্য সোাফার অর্ধেক বা তিন ভাগের দুই  ভাগ হয়ে থাকে এবং উচ্চতা সোফার সিটের সমান হয়

৫. কর্ণার টেবিল সোফার হাতলের উচ্চতা থেকে নিচে হবে লাইট বসানো হলে লাইট-শেড এর নিচের অংশ মানুষ বসার পর দৃষ্টি লেভেল এ থাকবে

কিছু টেবিল এর সাধারন পরিমাপ নিচে দেয়া হলো

 

ধরন

উচ্চতা (ইঞ্চ)

দৈর্ঘ্য (ইঞ্চ)

প্রস্থ / গভীরতা (ইঞ্চ)

কফি (গোল)

১৫-১৭

৩৬-৪২

৩৬-৪২

কফি (চারকোনা)

১৫-১৭

৩৬-৬০

১৮-২৪

কনসোল টেবিল

২৮

৪৮-৫৪

১৬-১৮

ডাইনিং (গোল )

২৮-৩০

৪০

৪০

ডাইনিং (চারকোনা )

২৮-৩০

৬০-৮০

৩৬-৪২

ড্রাফটিং

৩২-৪৪

৩১-৭২

২৩-৪৪

ড্রাম টেবিল (গোল )

৩০

৩৬

৩৬

কর্নার (সোফার )

১৮-২৪

২৪-২৮

১৮-২০

সেলাই

২৬

যেকোনও

১৭ কমপক্ষে

সোফা

২৬-২৭

৬০

১৪-১৭

লেখার টেবিল

২৮-৩০

৩৬-৪০

২০-২৪

 

বয়স অনুসারে

বয়স

টেবিলের উচ্চতা

সীটের উচ্চতা

চার বছর পর্যন্ত

২০-২২

১০-১২

৫-৭

২২-২৫

১২-১৪

৮-১০

২৪-২৯

১৩-১৭

১১-১৩

২৬-৩০

১৫-১৮

 ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনুসারে

ব্যবহারকারীর সংখ্যা

চারকোনা

বর্গাকার

গোল

প্রস্থ

দৈর্ঘ্য

প্রস্থ/দৈর্ঘ্য

ব্যাস / চওড়া

২২-২৮

২৮-৩২

২৪-৩০

২২-২৮

২৮-৩৬

৪৪-৫২

৩২-৪২

৩২-৪২

৩৪-৪২

৬০-৭২

৪৪-৫২

৪৬-৫৪

৩৪-৪২

৭২-৯০

৪৮-৫৪

৫৬-৭২

১০

৪২-৪৮

৯৬-১০৮

৫৬-৬২

৭২-৯৪

 

Card image cap
খরচের হিসাব
Ashraful Haque - 07 Jul 2018

সার্বিক খরচের বর্ণনা

বর্ণনা

খরচের শতাংশ

মন্তব্য

সিভিল কাজ

৭৫

১৫% ফাউন্ডেশন

স্যানেটারী

১৫

ইলেক্ট্রিক্যাল

গ্যাস

সাব-সুপার স্ট্রেকচার

বর্ণনা

শতাংশ

ফাউন্ডেশন এবং প্লিন্থ

২০

সুপারস্ট্রাকচার

৮০

আইটেম অনুসারে (স্যানেটারী ও ইলেক্ট্রিক্যাল বাদে)

নং

বর্ণনা

শতাংশ

ফাউন্ডেশন ও প্লিন্থ(পাইলিং ছাড়া

১০

 ২

ইটের কাজ

৩৪

 ৩

ডি.পি.সি

ফ্লোরিং

ছাদ(সিড়ি সহ)

২০

কাঠের কাজ

১৫

প্লাস্টার

রঙের কাজ

বিবিধ

১০

মোট

১০০

 মালামাল ও লেবার এর খরচ

ক্রম

আইটেম

লেবার

মালামাল

ফাউন্ডেশন ইটের কাজ

১০

৯০

১০” ইটের কাজ সুপারস্ট্রাকচার

 

 

 

গ্রাউন্ড ফ্লোর

১১

৮৯

 

দ্বিতীয় তলা

১২

৮৮

 

তৃতীয় তলা

১৩

৮৭

 

চতুর্থ তলা

১৪

৮৬

 

৫ম তলা

১৫

৮৫

৫” ইটের কাজ

১২

৮৯

মোজাইক

২১

৭৯

আর.সি.সি

 

 

 

ফুটিং

১০

৯০

 

কলাম,লিফট

১৪

৮৬

 

বীম

১১

৮৯

লাইম কংক্রিট

৩৫

৬৫

 

দরজার শাটার/পাল্লা

২৬

৭৪

 

জানালার শাটার

২৫

৭৫

 

জানালার শাটা(স্টিল)

৩০

৭০

 

১০

স্টিল গ্রীল

৩৭

৬৩

 

১১

প্লাস্টার

৪৫

৫৫

 

১২

চুনকাম

৭০

৩০

 

১৩

স্নোসেম ওয়াশিং

৪৫

৫৫

 

১৪

এনামেল পেইন্ট

৪৪

৫৬

 

১৫

ডিসটেম্পার

২৭

৭৩

 

১৬

প্লাস্টিক পেইন্ট

২৯

৭১

 

১৭

ফ্রেন্স পলিশ

৩৮

৬২

 

               

কাজ অনুসারে খরচ

ক্রম

ম্যাটেরিয়াল ও লেবার

শতাংশ (বিল্ডিং এর)

ইটের কাজ

২২

সিমেন্ট

১২

স্টীল বার

১১

কাঠ

১০

অন্যান্য ম্যাটেরিয়াল

১৫

লেবার

৩০

মোট

১০০

 

 

 

নোট :

  • স্যানেটারী ও পানি সরবরাহ ৮ শতাংশ
  • ইলেক্ট্রিক্যাল ৭ শতাংশ

 

ম্যটেরিয়ল ও লেবার

শতাংশ

কনসাল্টেন্ট ফী

 

ডিজাইন

=

সুপারভিশন

=

 

মোট

=

কনস্ট্রাকশন

ম্যাটেরিয়াল

=

৬০

লেবার-মিস্ত্রি

=

২০

যন্ত্রপাতি

=

৪ 

কন্ট্রাকটর

=

১০

ওভারহেড

=

৪.৫

বিবিধ

=

২.৫

 

মোট

:

১০০

 

Card image cap
অন্যান্য লিংক
Ashraful Haque - 30 Jun 2017

Content Will be Added

শিঘ্রই যোগ করা হবে

Card image cap
দেখতে
Ashraful Haque - 24 May 2011
অভিধান
ইঞ্জিনিয়ারিং বিবিন্ন শব্দের ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি
চাকুরী
চাকুরি বিষয়ক তথ্য
ঠিকানা বই
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, ফোন, ইমেইল ইত্যাদি
ভোট
কোনও বিষয় বা প্রশ্নের উপর কয়েকটি পছন্দ থাকবে। এই পছন্দগুলি থেকে সদস্যরা তাদের পছন্দ নির্বাচন করবেন।
রচনা / লেখা
যেকোনো ধরনের লেখা এখানে লেখা যাবে। যেমন প্রশ্ন,সমস্যা,প্রশিক্ষণ ইত্যাদি

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-১১
engr.tushar - 26 Aug 2017

১১১।কম্পোজিট ম্যাশনারি কি?
উত্তরঃ একাধিক নির্মান সামগ্রির সমন্বয়ে নির্মিত গাথুনি কে কম্পোজিট ম্যাশনারি   বলে।
১১২। ম্যাশিনারির মধ্যে উৎপাদিত কংক্রিট ব্লকের আদর্শ আকার কত?
উত্তরঃ ক)ফাপা কংক্রিট , ৩৯*১৯*৩০ সেন্টিমিটার
    খ)ফাপা বিল্ডিং টিইল,৩৯*১৯*২০ সেন্টিমিটার
    গ)পার্টিশনের জন্য ফাপা কংক্রিট ব্লক,৩৯*১৯*১০ সেন্টিমিটার
১১৩।ফাপা আদর্শ কংক্রিট ব্লকের উপরিতলের ক্ষেত্রফল কত?
উত্তরঃ মোট ক্ষেত্রফল এর ৫৫-৬০%
১১৪। ফাপা আদর্শ কংক্রিট ব্লকের পুরুত্ত কত?
উত্তরঃ ৫ সেন্টিমিটার 
১১৫।আর্চ সাপোর্টের উপর কেমন চাপ প্রয়োগ করে?
উত্তরঃ আনুভুমিক ও উল্লমবিক,।
১১৬। শুন্যস্থান পুরণ করঃ-
ক) আর্চের ঠিক মাজখানে অর্থাৎ সর্বচ্চ বিন্দুতে যে বৃহৎ অয়েজ আকার ব্লকটি স্থাপন করা হয় ,তাকে----বলে।
খ) আর্চের ইনার কার্ভকে ---বলে ।
গ) ----- এর ইনার সারফেসকে সফিট বলে ।
ঘ) আর্চের বহিস্থ কার্ভকে ----বলে ।
ঙ) extrados এর সর্বোচ্চ বিন্দুকে---- বলে ।
চ) দয়ালের যে অংশে, একটি আর্চ প্রান্তের সাপোর্ট হিসাবে কাজ করে তাকে-----বলে ।
ছ)-----পাশাপাশি দুটি আর্চের সাপোর্ট হিসাবে কাজ করে ।
উত্তরঃ ক) কী স্টোন খ) ইন্ট্রেডোজ গ) আর্চ ঘ) extrados
    ঙ)ক্রাঊন চ) abutment ছ) পায়ার
১১৭। কে আর্চের বহির্মুখী ধাক্কা সহ্য করে ।
উত্তরঃ abutment
১১৮।স্কিউব্যাক এবং ইন্ট্রেডোজ এর ছেদ বিন্দুকে কি বলে ।
উত্তরঃ স্প্রিগ্ঙ্গিং পয়েন্ট।
১১৯। ক্রাউন ও আনুভুমিক স্পর্শক রেখা ও আর্চের পিঠের মধ্যবর্তি ত্রিভুজাকার  স্থানকে কি বলে?
উত্তরঃ স্প্যানড্রিল

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-১৩
engr.tushar - 28 Aug 2017

১৩০। শুন্যস্থান পুরণ করঃ-
    ক) ----হলো একটি আনুভূমিক মেম্বার।
    খ)লিন্টেলের নুন্যতম বিয়ারিং ----- সেমি।
    গ)-----ইত্যাদি নিখুত কাঠ,কাঠের লিন্টেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ঘ) লিন্টেলের স্প্যান দৈর্ঘ ০-১ মিটার হলে ব্যবহৃত রডের ব্যাস ----মিমি।
ঙ) লিন্টেলের স্প্যান দৈর্ঘ ১-১.৫ মিটার হলে ব্যবহৃত রডের ব্যাস----মিমি
চ)লিন্টেলের স্প্যান দৈর্ঘ ২-৩ মিটার হলে ব্যবহৃত রডের ব্যাস ----মিমি।
ছ) ক্যাভির্টি ওয়ালের ফোকরের উপরে ---- লিন্টেল নির্মান করা হয়।
জ)লিন্টেল সাধারনত ৬ মিমি ব্যাসের রডকে ----হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
উত্তরঃ ক) লিন্টেল খ)১০ সেমি গ) শাল,শেগুন ঘ)৬ মিমি ঙ) ৮ মিমি চ)১২মিমি ছ)rcc বুট লিন্টেল  জ) স্টিপার।
১৩০।ভিত্তি বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ কোন কাঠামোর নিম্নভাগের যে অংশ মাটির নিচে অবস্থান করে তাকে ভিত্তি বা ফাউন্ডেশন বলে।ইহার মাধ্যমেই সমস্ত স্ট্রাকচার এবং ইহার উপস্থিত সমস্ত কিছুর ভার তলদেশের মাটিতে পৌছে ।
ভিত্তির স্থায়িত্ত দৃরতার জন্য শক্ত ভুমির বিশেষ প্রয়োজন ।
১৩২। ভিত্তিতল বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ কাঠামোর ভার বা অজন বহন করিবার জন্য মাড়ি খনন করিয়া সমশক্তি ও প্রয়োজনীয় ভার বহন ক্ষমতা সম্পন্ন মাটির স্তরের উপর যে সমতল পৃষ্ঠ তৈরি করা হয়,তাকে ভিত্তিতল বা ফাউন্ডেশন বেড বলে ।
১৩৩। ভিত্তি ও ভিত্তিতলের মধ্যে পার্থক্য কি ?
উত্তরঃ 
    ভিত্তি       ভিত্তিতল
১।ভিত্তি স্ট্রাকচার এর একটি অংশ ।    ১ ।ভিত্তিতল স্ট্রাকচার এর একটি অংশ নয়।
২।স্ট্রাকচার এর সবচেয়ে নিচের অংশ যাহা G,L এর নিচে অবস্থান করে তাকে ভিত্তি বলে ।    ২। ভিত্তি স্থাপন করার জন্য যে ট্রেন্স কাটা হয় ঐ ট্রেন্স এর তলদেশকে ভিত্তিতল বলে ।
৩। ভিত্তির স্থায়িত্তশীলতা ভিত্তিতলের উপর নির্ভর করে ।    ৩। ভিত্তি তলের স্থায়িত্তশীলতা মাটির ভার বহন ক্ষমতার উপর নির্ভর করে ।

১৩৪। মাটির ভারবহন ক্ষমতা বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ যে কোন কাঠামোর ভার বহন করে ভিত্তির নিচের মাটি ।যে কোন মাটির উপর যে কোন ভার চাপিয়ে দেওয়া যায় না কারন সব মাতি এক প্রকার নয় এবং যে কোন ভার বহন করার ক্ষমতা রাখে না ।হঠাৎ বসন বা ধ্বংস হিওয়ার পুর্বে প্রতি বর্গমিটার মাটি সর্বচ্চ যে ভার বিহন করতে পারে তাকে মাটির ভারবহন ক্ষমতা বলে ।
১৩৫। একটি  সাধারন ভিত্তির চিত্র অংকন করে বিভিন্ন অংশের নাম লিখ ।
উত্তরঃ নিজে আঁক
১৩৬। কোথায় কন প্রকার ভিত্তি নির্মান করা হয় ?
উত্তরঃ 
১) স্প্রেড ফাউন্ডেশনঃ- যে সমস্ত এলাকায় মাটির ভার বহন ক্ষমতা বেশি এবং মাটির ক্ষয় সাধন কম সে সমস্ত এলাকায় স্প্রেড ফাউন্ডেশন নির্মান করা হয়।
২।রেফট ফাউন্ডেশনঃ-যে সমস্ত এলাকায় মাটি খুব হালকা,নরম ও প্লাস্টিক ধরনের,আবার মাটির ভার বহন ক্ষমতা কম স্প্রেড ফুটিং নির্মান করা খুব অসুবিধা জনক তখন সেখানে রেফট ফাউন্ডেশন নির্মান করা হয়।
৩। পাইল ফাউন্ডেশনঃ- মাটি সরে যাওয়ার আশংকা থাকলে এবং খুব নিকটে শক্ত স্তর পাওয়া না গেলে,নিচে পানি সমস্যা থাকলে তখন সেখানে পাইল ফাউন্ডেশন নির্মান করা হয়।
৪। সিলিন্ডার,ক্যাসনস,পায়ার অ্যান্ড ওয়েল ফাউন্ডেশনঃ-যখন অতি ভারি কাঠামোর লোড পাথর শক্ত স্তরের উপর ন্যাস্ত করবার প্রয়োজন হয় তখন সেই সব ক্ষেত্রে এই জাতীয় বুনিয়াদ নির্মান করা হয়।
১৩৭।মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা বলতে কি বুঝ? ফ্যাক্টর অব সেফটি কি?
উত্তরঃ মাটিকে যখন ভারবহন করার কাজে ব্যবহার করা হয়,তখন উক্ত মাটি নিরাপদে কি পরিমান ভার বহন করতে পারে তা পরিক্ষা নিরীক্ষা মাধ্যমে বিবেচনা করা হয়।এই নিরাপদ বহন ক্ষমতা মাটির সর্বচ্চ ভার বহন ক্ষমতা হতে কম দেওয়া হয় ,যাতে মাটি কোন অবস্থাতেই ভারবহনে ব্যর্থ না হয়। একেই মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা বলে।
ফ্যাক্টর অব সেফটি = চুড়ান্ত লোড/নিরাপদ লোড
অর্থাৎ পদার্থের সর্বচ্চ লোড বহন লোড ক্ষমতা /নিরাপদ লোড ক্ষমতা দ্বারা ভাগ করলে যে সংখা পাওয়া যায় তাকে ফ্যাক্টর অব সেফটি বলে।

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-১২
engr.tushar - 27 Aug 2017

১২০। স্কিউ-ব্যাক ও ক্রাউন এর মধ্যবর্তি আর্চের নিচের অর্ধেক অংশ কে কি বলে?
উত্তরঃ Haunch
১২১। শুন্যস্থান পুরণ করঃ-
    ক) আর্চের স্প্যান দৈর্ঘ ০-১.৫ মিটার পুরুত্ত------হবে ।
    খ) আর্চের স্প্যান দৈর্ঘ ১.৫-৪ মিটার হলে পুরুত্ত------হবে ।
    গ) আর্চের স্প্যান দৈর্ঘ ৪-৭.৫ মিটার পুরুত্ত------হবে ।
উত্তরঃ ক) ২০ সেন্টিমিটার খ)৩০ সেন্টিমিটার গ)৪০সেন্টিমিটার
১২২।শুন্যস্থান পুরণ করঃ-
    ক)-----আর্চের ক্ষেত্রে বৃত্তের কেন্দ্র স্প্রিংগ্যিং লাইনের নিচে অবস্থান করে ।
    খ)----আর্চের কেন্দ্রে স্প্রিগিং লাইনের উপর অবস্থান করে ।
    গ) -----আর্চের একাধিক কেন্দ্র থাকে ।
    ঘ)প্যারাবোলিক আর্চ ---কেন্দ্র বিশিষ্ট ।
    ঙ) একক অর্ধবৃত্তকার আর্চের পুরুত্ত,T=------।
উত্তরঃ ক) সেগমেন্টাল খ) অর্ধবৃত্তকার গ)উপবৃত্তকার ঘ)তিন ঙ) ০.০৭R^1/2

124. এক কেন্দ্রবিশিষ্ট আর্স কোনটি?
ক)blunt arch খ)horse shoe arch গ)elliptical arch
উত্তরঃ horse shoe arch
১২৫।তিন কেন্দ্রবিশিষ্ট আর্স কোনটি?
ক)parabolic arch খ)blunt arch গ) segmental arch
উত্তরঃ parabolic arch
১২৬। এক কেন্দ্রবিশিষ্ট আর্স এর পুরুত্ত কত?
উত্তরঃ T =0.045R^1/2
১২৭। সিরিজ সেগমেন্ট আর্স এর পুরুত্ত কত?
উত্তরঃ T =0.064R^1/2
১২৮। rcc লেন্টেল এর পুরুত্ত কত?
ক)৫ ইঞ্চি খ)৬ ইঞ্চি  গ)৮ ইঞ্চি
উত্তরঃ ৬ ইঞ্চি
১২৯।bulls eye arch এর কেন্দ্র কয়টি?
ক)১টি খ) ২টি গ)৩টি
উত্তরঃ ১টি

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-১১
engr.tushar - 16 Aug 2017

১১১।কম্পোজিট ম্যাশনারি কি?
উত্তরঃ একাধিক নির্মান সামগ্রির সমন্বয়ে নির্মিত গাথুনি কে কম্পোজিট ম্যাশনারি
    বলে।
১১২। ম্যাশিনারির মধ্যে উৎপাদিত কংক্রিট ব্লকের আদর্শ আকার কত?
উত্তরঃ ক)ফাপা কংক্রিট , ৩৯*১৯*৩০ সেন্টিমিটার
    খ)ফাপা বিল্ডিং টিইল,৩৯*১৯*২০ সেন্টিমিটার
    গ)পার্টিশনের জন্য ফাপা কংক্রিট ব্লক,৩৯*১৯*১০ সেন্টিমিটার
১১৩।ফাপা আদর্শ কংক্রিট ব্লকের উপরিতলের ক্ষেত্রফল কত?
উত্তরঃ মোট ক্ষেত্রফল এর ৫৫-৬০%
১১৪। ফাপা আদর্শ কংক্রিট ব্লকের পুরুত্ত কত?
উত্তরঃ ৫ সেন্টিমিটার 
১১৫।আর্চ সাপোর্টের উপর কেমন চাপ প্রয়োগ করে?
উত্তরঃ আনুভুমিক ও উল্লমবিক,।
১১৬। শুন্যস্থান পুরণ করঃ-
ক) আর্চের ঠিক মাজখানে অর্থাৎ সর্বচ্চ বিন্দুতে যে বৃহৎ অয়েজ আকার ব্লকটি স্থাপন করা হয় ,তাকে----বলে।
খ) আর্চের ইনার কার্ভকে ---বলে ।
গ) ----- এর ইনার সারফেসকে সফিট বলে ।
ঘ) আর্চের বহিস্থ কার্ভকে ----বলে ।
ঙ) extrados এর সর্বোচ্চ বিন্দুকে---- বলে ।
চ) দয়ালের যে অংশে, একটি আর্চ প্রান্তের সাপোর্ট হিসাবে কাজ করে তাকে-----বলে ।
ছ)-----পাশাপাশি দুটি আর্চের সাপোর্ট হিসাবে কাজ করে ।
উত্তরঃ ক) কী স্টোন খ) ইন্ট্রেডোজ গ) আর্চ ঘ) extrados
    ঙ)ক্রাঊন চ) abutment ছ) পায়ার
১১৭। কে আর্চের বহির্মুখী ধাক্কা সহ্য করে ।
উত্তরঃ abutment
১১৮।স্কিউব্যাক এবং ইন্ট্রেডোজ এর ছেদ বিন্দুকে কি বলে ।
উত্তরঃ স্প্রিগ্ঙ্গিং পয়েন্ট।
১১৯। ক্রাউন ও আনুভুমিক স্পর্শক রেখা ও আর্চের পিঠের মধ্যবর্তি ত্রিভুজাকার  স্থানকে কি বলে?
উত্তরঃ স্প্যানড্রিল

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-১০
engr.tushar - 24 Aug 2017

১০১) ফ্লেমিশ বন্ড কত প্রকার ?
উত্তরঃ ২ প্রকার
১০২) কোন বন্ডে হেডার ও স্টেচার পাশাপাশি বসে?
উত্তরঃ ফ্লেমিশ বন্ড 

১০৩। পার্টেশন দেয়ালে কোন বন্ড ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ স্টেচার বন্ড
১০৪। কোন বন্ড ইংলিশ বন্ডে রুপান্তর মাত্র?
উত্তরঃ ডাচ বন্ড 
১০৬। রেকিং বন্ড কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ ক) হেরিং বোন বন্ড খ) ডায়াগোনাল বন্ড
১০৭। কোন বন্ড দেখতে অনেকটা হেরিং বোন বন্ড এর মত এবং রাস্তার কাজে ব্যবহার হয়?
  উত্তরঃ  জিন-জাণ বন্ড
১০৮।বন্ড কি?
উত্তরঃ ইটকে একের পর এক সাজিয়ে শৃংখলা বদ্ধ করে এক অবিছিন্ন দেওয়ালে পরিনত করা হয়। ইটকে এরূপ শৃংখলা বদ্ধ করার পদ্ধতিকে বন্ড বলে।
১০৯। শুন্যস্থান পুরণ করঃ-
ক) দেওয়ালের মধ্য ৫ থেকে ৮ সে,মি ফাকা রেখে যে দেওয়াল তৈরি করা হয় তাকে---- অয়াল বলে ।
খ) নিরেট দেওয়ালের তুলনায় ফাকা দেওয়ালের----- তাপ নিরোধন ক্ষমতা বেশি।
গ) ক্যাভিটি দেওয়ালে u.k এর ভবন নির্মানের নিতিমালা অনুসারে-----আনুভুমিক                                      
   দূরত্ব এবং---- খাড়া দূরত্ব পরপর অবশ্যই টাই স্থাপন লরতে হবে।
উত্তরঃ ক)ক্যাভিটি খ)২৫% গ)৯০০ মিলিমিটার, ৪৫০ মিলিমিটার,
 

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-৯
engr.tushar - 23 Aug 2017

৯০।বেসমেন্ট কি?
উত্তরঃ কোন ভবনের মাটির নিচের তলাকে বেসমেন্ট বলে।
৯১। কাঊনোজ কি?
উত্তরঃ ইটের দুই প্রান্ত গোলাকার করাকে কাঊনোজ বলে।
৯২। ভাল ইটের কয়েকটি বৈশিষ্ট লেখ।
উত্তরঃ
ক) নিখুত ও শক্ত
খ) উত্তম ভাবে পোড়ানো
গ)সমবর্ণ বিশিষ্ট
ঘ)চুড়ি দারা আচড় দিলে দাগ পরবে না।
ঙ) দুতি ইট আঘাত করলে ধাতব শব্দ হবে।
চ)১ মিটার উপর থেকে ফেলে দিলে ভাংবে না।
ছ)সাইজ ২৪১*১১৪*৭০ মিমি এবং ওজন ৩.৭৫ কেজি ।
৯৩। নির্মান কাজে ব্যবহারের পুর্বে পানি শোষনের জন্য কমপক্ষে কয় ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়?
   ক) ১ ঘন্টা খ) ১.৫ ঘন্টা গ) ২ ঘন্টা ঘ) ৩ ঘন্টা
উত্তরঃ ২ ঘন্টা
৯৫। গাথুনির কাজ শেষ হাওয়ার কত দিন পরে প্লাস্টার করা উচিত?
উত্তরঃ ২৮ দিন
৯৬। ৭৫ মিমি পুরু পার্টিশন অয়াল তৈরি করতে প্রতি তৃতিয় বা ৪র্থ কোর্সে ----ব্যবহার করতে হবে।
উত্তরঃরিইনফোর্সমেন্ট
৯৭। একদিনে ইটের গাথনি সর্বচ্চ কত হবে?
উত্তরঃ ১.৫ মিটার
৯৮।ইটের দেয়াল খাড়া হচ্ছে কিনা তা নিরিক্ষা করার জন্য কি ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ ওলন 
৯৯। আমাদের দেশে কমপক্ষে এক ইট পুরু দেয়ালে কোন বন্ড ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ ইংলিশ বন্ড
১০০) বৃত্তকার দেওয়াল তৈরি করতে কোন বন্ড ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ হেডার বন্ড

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-০৮
engr.tushar - 22 Aug 2017

৮০। দেওয়ালের ভিতরের পাশে যাহা আবহাওয়ার দিকে উন্মুক্ত থাকেনা তার নাম কি?
উত্তরঃ ব্যাক
৮১।দেওয়ালের ব্যাক নির্মাণের ব্যবহৃত পদার্থকে------বলে।
উত্তরঃ ব্যাকিং
৮২। ফিলিং কি?
উত্তরঃ দেওয়ালের ব্যাকিং এবং ফেসিং এর মধ্যবর্তি অঞ্চল কে ফিলিং বলে ।
৮৩।শূন্যস্থান পুরন করঃ-
ক) ইটের আকটি লম্বা পার্শ(২৫৪*৭৬০) অক্ষিত রাখিয়া ইটের অন্য পাশে কাটা হলে------ইট পাওয়া যায়।
খ) ইটের আকটি লম্বা পার্শ(২৫৪*৭৬০) অক্ষিত রাখিয়া ত্রিভূজাকার একটি খন্ড কাটিলে------ক্লোজার পাওয়া যায়।
গ)অর্ধেক প্রস্থ বিশিষ্ট পূর্ণ দৈর্ঘের ইটকে----ক্লোজার বলে।
ঘ)দরজা জালনির জন্য নির্মিত ফাকা জায়গার খাড়া পার্শদয়কে-----বলে।
ঙ)দরজা জালনা চৌকাঠ লাগানোর পরে দেওয়ালের উন্মুক্ত পার্শে যে খাড়া পৃষ্টদেশ অবশিষ্টথাকে তাকে ----বলে ।
চ)মাটির সমান্তরালে যদি এক কোর্স ইট দেওয়াল পৃষ্ঠ কিছুটা বাহিরে থাকে তবে তাকে ---- বলে।
ছ)কার্নিশের উপর এক কোর্স পাথরের গাথুনিকে-----বলে ।
উত্তরঃ     ক)ক্লোজার খ)কিং গ)কুইন ঘ)জ্যাম্বস ঙ)রিভিলস  চ)স্ট্রিং কোর্স 

৮৪. ঢালু ছাদে প্রান্তে নির্মিত ম্যাশিনারি কে---বলে।
উত্তরঃ গেবল
৮৫।কলাম কি? 
উত্তরঃ ইহা একটি একক ভ্যারটিকাল রিয়ারিং মেম্বর।
৮৬। ব্যাট্রেস কি?
উত্তরঃ লম্বা দেওয়ালকে বহির্মুখি ধাক্কা সহনক্ষম করার জন্য দেওয়ালের কিছু দুরুত্য পরপর বহিস্থাপন পার্শে পুরু ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করা হয় তাকে ব্যাট্রেস বলে।
৮৭।কর্বেল কি?
উত্তরঃ দেওয়াল থেকে বাহির হয়ে থাকা ইট বা পাথরের এক বা একাধিক কোর্স কে কর্বেল বলে।
৮৮। ইন্ডেনটিং কি? 
উত্তরঃ ভবিষ্যৎ এর খথা বিবেচনা করে ম্যাশিনারি কাজে আপাতত বিরতি দেওয়া কে ইন্ডেনটিং বলে।
৮৯।টেমপ্লেট কি?
উত্তরঃ কংক্রিটের তৈরি একটি ব্লক ।যাহা বিম অথবা গার্ডারে কেন্দ্রিভুত লোডকে বিস্তৃত আলাকাই ছারাইয়া দেওয়ার জন্য বি অথবা গার্ডারের নিচে স্থাপন করা হয়।
৯০।বেসমেন্ট কি?
উত্তরঃ কোন ভবনের মাটির নিচের তলাকে বেসমেন্ট বলে।